নাটোরের লালপুর উপজেলা মাসিক সভায় করোনা ত্রাণ ও টিআর এর অনিয়ম নিয়ে হট্রোগোলে ভিডিও ধরণের সময় সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নিলেন প্রশাসন!!

নাটোরের লালপুর উপজেলা মাসিক সভায় করোনা ত্রাণ ও টিআর এর অনিয়ম নিয়ে হট্রোগোলে ভিডিও ধরণের সময় সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নিলেন প্রশাসন!!

মোঃ রাজিবুল ইসলাম বাবু স্টাফ রিপোর্টার।।
লালপুর উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভার ছবি তোলার অপরাধে স্থানীয় ২ সংবাদ কর্মির মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়েছে উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারিরা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মুল বানিন দ্যুতির সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার সকালে লালপুর উপজেলা পরিষদ হল রুমে শুরু হয় মাসিক সাধারণ সভা। সভায় সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইসাহক আলী সহ ইউপি চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা চলাবস্থায় করোনাকালীন ত্রানের অনিয়ম ও টিআর কাবিখার অনিয়ম নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়।

এসময় সেখানে উপস্থিত দৈনিক ভোরের দর্পনের লালপুর প্রতিনিধি নাহিদ হোসেন ও অনলাইন সংবাদ কর্মি ইউসুফ আলী তাদের মোবাইলে হট্টগোল ভিডিও ধারণ করতে থাকেন। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওই ২ সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নিতে মাইকে এলাউন্স করায় প্রশাসনের কর্মচারীরা ওই ২ সংবাদ কর্মির মোবাইল কেড়ে নিয়ে ইউএনওর কাছে জমা দেন।
স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান,মাসিক সাধারণ সভায় করোনাকালীন ত্রান ও বিভিন্ন কাজের অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন উঠলে উচ্চ বাক্য বিতর্ক শুরু হয়। ২ সংবাদ কর্মি সেগুলো তাদের মোবাইলে ভিডিও ধারণ করার চেষ্টা করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে পরিষদের কর্মচারীরা তাদের মোবাইল কেড়ে নিয়ে অনুষ্ঠান থেকে বের করে দেন।

স্থানীয় দুই সাংবাদিকের মোবাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা কেড়ে নিলে তারা দুইজন বৃহস্পতিবার নাটোরের সাংবাদিকদের সাথে যোগাযোগ করে এঘটনা অবগত করেন।
সভায় উপস্থিত নাটোর-০১ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল জানান, সেখানে ভিডিও করতে নিষেধ করা হয়েছিলো। তবে মোবাইল কেড়ে নেয়ার বিষয়টি তার জানা নাই বলে জানান।

লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মুল বানীন দ্যুতি বলেন, ওই দুই জন সাংবাদিক কি না তা তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। এছাড়া আইনশৃংখলা সভা চলছিল। তারা এ সভার সদস্য নন। সে কারনে মিটিং চলার সময় তাদের মোবাইল ফোন জব্দ করা হয় পরে মিটিং শেষে মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার জন্য তাদের খুজে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মুল বানীন দ্যুতি আরো জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত তারা মোবাইল নিতে আসেনি।

এদিকে বিষয়টিকে দুঃখজনক বলে আখ্যায়িত করেছে নাটোরের সাংবাদিক নেতারা। তারা আরো বলেন, চলমান করোনা সংকটে প্রশাসনের সাথে একহয়ে কাজ করে চলেছেন সংবাদ কর্মিরা।এসময়ে এ ধরনের অনাকাঙ্খিত ঘটনার জন্য সাংবাদিকরা জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মোঃ রাজিবুলইসলাম বাবু স্টাফ রিপোর্টার।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536