বড় মহেশখালীর ইউপি সদস্য জিল্লুর রহমান মিন্টু বাহিনীর হাতে প্রবাসীর পরিবার শিশুসহ আহত ৪ জন।

বড় মহেশখালীর ইউপি সদস্য জিল্লুর রহমান মিন্টু বাহিনীর হাতে প্রবাসীর পরিবার শিশুসহ আহত ৪ জন।

মোঃ সাহাব উদ্দিন
কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।

বড় মহেশখালীর ফকিরাঘোনা গ্রামে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে এক প্রবাসীর পরিবারের উপর ব্যাপক নির্যাতন, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে একাধিক ব্যক্তি। ঘটনার পরেও হামলাকারীরা ধারাবাহিক ভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে ওই পরিবারটির উপর। এ নিয়ে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে বলে জানাগেছে।

ওই প্রবাসীর পরিবার সূত্র লিখিত অভিযোগে জানান -একই এলাকার ইউপি সদস্য জিল্লুর রহমান মিন্টু ও তার বাহিনী পরিকল্পিত ভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় তাদের হামলায় প্রবাসী মৌলভী আব্দুর রহিমের স্ত্রী জাইতুন নাহার (৪৫), তার মেয়ে বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজের ছাত্রী সুমাইয়া আরেফীন (১৭), রাহ্মা আরেফীন (৮) এবং প্রবাসীর বোন মুন্নি (১২) আহত হয়। আহতরা মহেশখালী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে বলে জানা যায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা বাড়ির আসবাবপত্র ভাংচুর, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তছনছ ও ছিড়ে ফেলে এবং বাড়ির আলমিরা ভেঙ্গে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এতেও ক্ষান্ত না হয়ে জিল্লুর রহমান মিন্টু নিজে পুলিশ পুলিশকে ভুল বুঝিয়ে উক্ত পরিবারকে ইয়াবা মামলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা চালায়। এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে মিন্টুর সে চেষ্টা ব্যর্থ হয় বলে জানায় পরিবারটি।

পরিবারের সদস্যরা জানান -বেশ কিছুদিন ধরে উক্ত প্রবাসীর পরিবারের সাথে পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজনের মধ্যে চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। স্থানীয় ইউপি সদস্য হিসেবে উক্ত বিরোধ মীমাংসার কথা বলে কৌশলে বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা চালায়। ৪ ই আগষ্ট বেলা ২ টার দিকে প্রবাসীর বসত-ভিটায় এসে মীমাংসার কথা বলে দলবল নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় জিল্লুর রহমান মিন্টুর নেতৃত্বে তারই ছেলে আবু রাফা, মৃত মোহাম্মদ বকসুর ছেলে আবু তালেব মাঝি, আবু তালেব মাঝির ছেলে যথাক্রমে খাইরুল আমিন, শওকত উল্লাহ, শাকের উল্লাহ, পুত্রবধূ শাহেনা আখতার ও মতিয়া বেগম, মৌলভী আনছুর আলী পাড়া গ্রামের মৃত আবুল শামার পুত্র আব্দুল মালেক, মৃত খুলু মিয়ার পুত্র আবুল হোসেন, মৌ. আব্দু সামাদের পুত্র সা‘দ, মৃত মুহাম্মদ রশিদের ছেলে কাইছার হামিদসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জন অস্ত্র-শস্ত্র, লাঠিসোটা, হাতুড়ি ইত্যাদি নিয়ে এ হামলায় অংশ নেয়। বিষয়টি নিয়ে থানায় মামলা না করার জন্য হামলাকারীরা বিভিন্নভাবে ভাবে হুমকি-ধমকিও দিয়ে যাচ্ছে বলে পরিবারটি জানায়। বর্তমানে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে বলে দাবি করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

জি এম মাছুম বিল্লাহ শ্যামনগর প্রতিনিধি: গত ৩১শে আগস্ট সোমবার আনুমানিক রাত ১২:২৪ মিনিটে কলবাড়ি বাজারে ভাই ভাই বস্ত্রালয় নামীয় দোকান থেকে দুর্ধর্ষ চুরি উদ্ধার হয়নি মালামাল। মামলার বিবরনিতে দেখা যায় দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে তালা ভেঙ্গে নগদ ৮ লক্ষ ৯৩ হাজার টাকা ও দোকানের মালামাল ছড়ানো-ছিটানো ৯৪৫০০ টাকার শাড়ি লুঙ্গি অন্যান্য মালামালসহ মোট ৯,৮৭,৫০০ নগদ টাকাসহ মালামাল চুরি হয়।এ বিষয়ে বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় এজাহার দায়ের করেন ভাই ভাই বস্ত্রলয় সত্ত্বাধিকারী সত্ত্বাধিকারী বলাই কৃষ্ণ মন্ডল যার মামলা নং ৩৪৫/২০২০।মামলায় অজ্ঞাতনামা দুই তিন জনসহ রাজনকে আসামি করা হয়। মামলার একদিন পরে আসামি রাজন গাজী (২২) পিতা-মৃত রব্বানী গাজীকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করে ৭ সাতদিনের রিমান্ড আবেদনের বিপরীতে একদিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর হয়।শ্যামনগর থানার সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ: রইচ উদ্দিন বলেন, ধৃত আসামি খুব চালাক প্রকৃতির একদিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তার কাছ থেকে কোন প্রকার তথ্য বের করা যায়নি।মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন,

অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।সিসিটিভির ফুটেজ ধারণকৃত তথ্য পর্যালোচনা করে গ্রেফতারকৃত আসামিকে চুরির ঘটনা সত্যতা যাচাই করে। ভাই ভাই বস্ত্রালয়ের স্বত্বাধিকারী বলাই কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন গত ২০দিনে উল্লেখিত চুরির ঘটনায় মালামাল ও অর্থ উদ্ধার হয়নি। পারিবারিক পারিপার্শ্বিক থেকে নিরব হুমকি ধামকি চলছে এ বিষয়ে ভাই ভাই বস্ত্রালয় কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য জেনে জানা গেছে তারা মানবতার জীবন যাপন করছে। সত্যতা যাচাইয়ে এলাকাবাসীর পক্ষে মানুষের মধ্যে গুঞ্জন চলছে, এই এলাকায় বিগত সময়ে চিংড়ি ঘের, দোকান চুরির সাথে জড়িত রাজন গাজী এ ধরনের ঘটোনায় এলাকাবাসী জানান উল্লেখিত ঘটনায় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত ও মালামাল উদ্ধারের জন্য জোর তদন্তের দাবি জানান।

শ্যামনগরের কলবাড়ি বাজারে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় ২০দিনেও উদ্ধার হয়নি চুরিকৃত টাকা ও মালামাল।

themesbazartvsite-01713478536