বীর মুক্তিযোদ্ধার আবুল হাসেমকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন।

বীর মুক্তিযোদ্ধার আবুল হাসেমকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন।

নিতিশ চন্দ্র বর্মন নিরব পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি:
পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে বীর মুক্তিযোদ্ধার লাশ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলার তোড়িয়া ইউনিয়নের বোধগাঁও গ্রামের মৃত রেজা মুহাম্মদের পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম (১১০) রোববার (২ আগস্ট) সকাল ৬টায় বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন।

মৃত্যুকালে তিনি ৩ মেয়ে ও ১ ছেলে, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আমিনুল ইসলাম উপস্থিত থেকে এবং আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইজার উদ্দীনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ফোর্সের অংশ গ্রহণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হিসেবে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

এর আগে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আমিনুল ইসলাম, পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে অফিসার ইনচার্জ মো. ইজার উদ্দীন ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষ থেকে সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. নজরুল ইসলাম পৃথক পৃথকভাবে ফুল দিয়ে মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল হাসেমকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে যোহর নামাজের পর বোধগাঁও দাখিল মাদরাসা মাঠে রাষ্ট্রীয় সম্মননা প্রদান করে জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে মরহুমের দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয়। জানাযার নামাজে অন্যদের মধ্যে আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের নেতৃবৃন্দ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ নেতৃবৃন্দসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536