মহেশখালী-বদরখালীর চ্যানেলের সৃজিত প্যারাবনের বাইন গাছ কাটার নিধন চলছে।

মহেশখালী-বদরখালীর চ্যানেলের সৃজিত প্যারাবনের বাইন গাছ কাটার নিধন চলছে।

মোঃ সাহাব উদ্দিন, কক্সবাজার :

আজ ১০/০৭/২০২০/ পানির ওপর জেগে আছে কেটে নেওয়া অসংখ্য বাইনগাছের গুঁড়ি। চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে কেটে ফেলা গাছের ডাল-পালা। এলাকাটি উপকূল রক্ষার জন্য সৃজিত প্যারাবনের অংশ। সেখানে এখন সুবজ শ্যামল শত শত গাছে করাত ও দায়ের কুপ। থেমে নাই নিধন প্রক্রিয়াও। জানাগেছে, করোনাকালের সুযোগ নিয়ে উপকূলীয় ফরেষ্ট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় অসৎ কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে সেখানে স্থানিয় ভূমিদস্যুরা প্যারাবন দখলের জন্য একজোট হয়েছে। জোটবদ্ধ হয়ে উপকূলের রক্ষা কবচ প্যারাবন ধ্বংস করে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মহেশখালী-বদরখালী নৌ চ্যানেলের লাগায়ো পূর্বপাশে বদরখালীর ইউনিয়নের দক্ষিণমাথা ফিশারিঘাট এলাকায় চলছে এসব নিধন যজ্ঞ।
আজ ১০ শে জুলাই শুক্রবার বিকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় প্যারাবন নিধনের চিত্রটি। মহেশখালী-বদরখালী নৌ চ্যানেলের লাগায়ো বদরখালীর ইউনিয়নের দক্ষিণমাথা ফিশারিঘাট সংল্গন বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির আওতাধীন লম্বাঘোনা নামে পরিচিত উপকূলীয় বন বিভাগের সৃজিত প্যারাবন কেটে নিধন করা হচ্ছে।
এতে প্রকৃতির ধ্বংসের পাশা-পাশি উপকূল ও ধ্বংস হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা স্থানিয়দের। স্থানিয় সাবেক ইউপি সদস্য জাফর আলম জানান,এভাবে প্যারাবন কেটে সাবাড় করে দিলে উপকূলের মারাত্মক ক্ষতি ও পরিবেশ ধ্বংসের আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ- সহকারী পরিচালক শেখ মোহাম্মদ নাজমুল হুদা বলেন, সংশ্লিষ্ট বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তার সাথে এ বিষয়ে কথা বলতে। এক পর্যায়ে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে এ কর্মকর্তা মুখে স্বীকার করলেও বক্তব্যের এক পর্যায়ে কৌশলে এড়িয়ে যান।
চট্টগ্রাম বিভাগী বন কর্মকর্তা গোলাম মাওলার সাথে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য চেষ্টা করা হলে তিনি মুঠোফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভাব হয়নি।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536