মানবতার শ্রেষ্ঠ দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন জনবান্ধব নেতা মনজুর আলম মনজু

মানবতার শ্রেষ্ঠ দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন জনবান্ধব নেতা মনজুর আলম মনজু

ইসমাইল হোসেন সোহাগ( স্টাফ রির্পোটার) : আলোকিত জীবনধারার লক্ষে আলোকিত মানুষের প্রয়োজন হয়। তাদের মধ্যে আজ এমন একজনের কথা তুলে ধরা হলো। আর কেউ নন, তিনি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু সমাজকল্যাণ পরিষদ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাধারন সম্পাদক ও সাবেক সফল ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মনজুর আলম মনজু একজন। কারণ একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে তার প্রশংসনীয়। তিনি একজন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান এবং নিজেই একজন রাজনৈতিক বীদ। মুহাম্মদ মনজুর আলম মনজু প্রায় অনেক বছর ধরে রাজনীতির পাশাপাশি এলাকাবাসীর মানবতার সেবা করে যাচ্ছেন।তাই তাকে জনবান্ধব নেতা ও মানবপ্রেমিক মানুষ হিসাবে চিনে এলাকার সাধারন জনগণ। মুহাম্মদ মনজুর আলম মনজু শৈশব কাটিয়ে যৌবনে কুড়িয়েছেন অনেক যশ খ্যাতি। নিজে যেটুকু অর্জন করেছেন তার সমপরিমাণ বাড়িয়েছেন দেশ মাতৃকার সম্মান। সফল মানুষ হিসেবে নিজের আত্মতৃপ্তির ঝুড়ি কানায় কানায় পূর্ণ করেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধু সমাজকল্যাণ পরিষদ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাধারন সম্পাদক হওয়ার পর থেকে আরো রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং এই করোনা দূর্যোগে ত্রাণ দিয়ে নিজেকে রেখেছেন প্রচার বিমুখ। তার চেয়েও বেশী প্রশংসিত হচ্ছেন তার ত্রাণ বিতরন কার্যক্রমের ব্যতিক্রমতায়। এইসব ব্যস্ততার মাঝে বিশেষ করে মানবতার টানে ঘরে বসে থাকতে পারে না মানবপ্রেমিক এই মানুষটি। ইতমধ্যে তিনি বর্তমান করোনাভাইরাস প্রতিরোধে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপারের কাছে প্রতিটি থানার জন্য আদা,লেবু সহ বিভিন্ন ধরনের জিনিস পত্র প্রেরণ করেন। অপরদিকে পুরো বিশ্বকেই স্থবির করে দিয়েছে মহামারী করোনা ভাইরাস। মানুষের কর্ম থামিয়ে দিয়েছে, অর্থনীতির চাকা বন্ধ করে দিয়েছে। বন্ধ হয়নি মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা। দায়িত্ববোধকে ভুলাতে পারেনি এই করোনা ভাইরাস। যদি মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসার কমতি ঘটাতে পারতো মানুষের প্রতি মানুষের দায়িত্ববোধের জায়গাটি ম্লান করে দিতে পারতো তাহলে মনজুর আলম মনজু মানুষের বাড়ী গিয়ে অথবা ফোন করে নগরবাসীর সু:খ দু:খ তার রাজনীতিক কর্মী-সমর্থক, বন্ধু বান্ধবদের খবর নিতেন না।মনজুর আলম মনজু প্রতি মুহুর্তে ছোট-বড় সবাইকে ফোন করে করোনা সতর্কতার বার্তা দিয়ে সবার পারিবারিক খোজ খবর নিয়েছেন এবং নিচ্ছে। সবার সুস্থতা কামনা করে করোনা জয়ে সবাইকে ঘরে থাকার আহবান করে যাচ্ছেন সবাইকে। সবার উদ্দেশ্যেই তাঁর একটিই বার্তা- “বেঁচে থাকলে দেখা হবে, আপনি সুস্থ থাকুন, পরিবারকে সুস্থ রাখতে কার্যকরী সব ভূমিকা পালন করুন। আমার সুস্থতায় দোয়া করবেন। আমি এলাকাবাসীর পাশে আছি বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে, আপনাদের যেকোন প্রয়োজনে এই হাতটি ধরুন। মনজুর আলম মনজু’র এহেন মনোমুগ্ধকর আচরণে আমাদের জবাব, প্রিয় মনজু ভাই ! আপনার এই আচরণে ফিরতি ধন্যবাদ দিয়ে আপনাকে ছোট করতে চাই না। আপনি এমনই তা বহু আগে থেকেই আমরা জানি। আপনি মানুষকে এতো গভীর ভাবে ভালোবাসেন বলেই মানুষ আপনাকেও সমপরিমাণ ভালোবাসে। মানুষ তার কর্মের ফল পায়, আপনিও পাচ্ছেন। রাষ্ট্র আপনাকে ভালোবেসে আপনার মেধা প্রজ্ঞার মূল্যায়ন করে যাচ্ছে। আপনার হাত আমাদের উপর অতীতের মতো ভবিষ্যতেও থাকবে এটা নতুন কিছু নয়।আর মানুষ গড়ার কারিগর ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন ছিদ্দীক এর পরামর্শে ও বঙ্গবন্ধু সমাজকল্যাণ পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক বাহলুল হক চুন্নু এর নেতৃত্বে মানবতার কাজ করে যাচ্ছেন। আপনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার এটি আবারও প্রমাণ করলেন। মানবিক সব কর্মকাণ্ডে আপনি সামনের সারিতে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন সেটি আপনার জীবনে বহুবার প্রমাণ করেছেন। মনজুর আলম মনজু রাজনীতির মাঠে মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন প্রায় ১ যুগের মতো। তাঁর এসময়ে পথচলা অতো মসৃন। অনেক ত্যাগ তিতীক্ষার মাধ্যমে তাঁকে এ অবস্থানে আসতে হয়েছে। তবে তাঁর চলার পথ যেমন মসৃন ছিলোনা তেমনি তিনি যে কাজে হাত দিয়েছেন সে কাজে সফল হয়েছেন।মহামারী করোনা ভাইরাসের দুর্যোগ মোকাবেলায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার প্রতিটি উপজেলার কর্মহীন ও মধ্যবিত্ত অনেক পরিবারের বাসায় খাবার সহ বিভিন্ন ত্রান সামগ্রী পৌছে দিয়ে বিশাল জনগোষ্ঠির সেবক হিসেবে কাজ করে গরীবের “মনজু ভাই” হিসেবে চিহিৃত হয়েছেন। যতদিন করোনা ভাইরাসের তান্ডব থাকবে ততদিন কর্মহীন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য মানবতার হাতটা অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।তারুন্যের অহংকার যুবরত্ন মনজুর আলম মনজু এই মহামারিতে জনগনের সেবা করে গরীবের বন্ধু হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন খেটে খাওয়া সাধারন মানুষরা। কেবল খাদ্য সহায়তাই নয়, তার নিজের অর্থায়নে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে ও এলাকার সাধারন মানুষের জন্য জিনিস-পত্র দিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে আস্থার স্থলে পরিনত হয়েছেন তিনি।মনজুর আলম মনজুকে চট্টগ্রাম দক্ষিণ আ.লীগের সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের আস্থার ঠিকানা। তেমনি তিনি শুধু একজন নেতা নয়, তিনি সত্যিকার অর্থে একজন চেইঞ্জ মেকার। একটি দেশের সার্বিক ও সুষম উন্নয়ন তখনই ঘটে যখন দেশের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঞ্চলের উন্নয়নে উদ্ভাবনী উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়। মনজুর আলম মনজু বলেন, আমি একজন আওয়ামী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আমি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতি করে আসতেছি। আমার দাদা, বাবা সবাই সাতকানিয়ার মাটিতে জন্মগ্রহ করেছেন এবং সবাই রাজনীতিক আওয়ামী পরিবার হিসাবে চিনে। আমিও তাদের বাইরে নই। আমি কোন কুট রাজনীতি বুঝি না। ওই রাজনীতি করতেও চাই না। দেশ ও জাতির উন্নয়নের জন্য কোন কাজেই আমি ভয় পাই না।হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারন করে এবং বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাধারন কর্মী হয়ে দেশ এবং জনগনের সেবক হিসাবে সাধারন মানুষের মাঝেই বেচে থাকতে চাই। জনগনের শ্রদ্ধা-ভালোবাসা নিয়েই রাজনীতিতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। সাধারন মানুষের ভালোবাসাকে জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন মেনে নিয়ে বাকী জীবন কাটিয়ে দিতে চাই মানুষের কল্যাণে, দলের কল্যাণে। আপনার সেই দায়িত্ব পালনের জায়গা থেকেই আপনার জন্যে আমাদের চাওয়া-আল্লাহ যেন আপনার পরিবার তার রহমতের চাদরে ঢেকে রাখেন। সবসময় সব অবস্থায়ই মানুষের সেবা করার তৌফিক দেন,,,আমীন।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536