বিইউবিটি’র নতুন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফৈয়াজ খান

বিইউবিটি’র নতুন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফৈয়াজ খান


বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি) তে ১ জুলাই ভাইস চ্যান্সেলর পদে যোগ দিয়েছেন স্বনামধন্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফৈয়াজ।

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা, গবেষণা এবং প্রশাসনে দীর্ঘকাল (প্রায় ৪ দশকেরও বেশি) কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের আচার্য আব্দুল হামিদ তাকে এ পদে নিযুক্ত করেন। ইতোপূর্বে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফৈয়াজ খান এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস এর ভারপ্রাপ্ত ডিন ছিলেন এবং ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ট্রিপল-ই) বিভাগে শিক্ষকতা করেছেন।

১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (বুয়েট) এর ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিসহ বিএসসি (স্নাতক) পাস করেন এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। ১৯৭৭ সালে তিনি একই বিভাগ থেকে এমএসসি পাস করেন ও ২০০৮ সালে বুয়েট হতে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। 

দীর্ঘ কর্মজীবনে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ পর্যায়ে প্রশাসনিক দায়িত্বও পালন করেন। ‘আই-ট্রিপল-ই বেস্ট পেপার (যুক্তরাষ্ট্র, ১৯৯৪)’ সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কারও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। সর্বশেষ গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (জিইউবি) এর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন বিদগ্ধ এই অধ্যাপক।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536