সহযোগি নারী গ্রেফতার আগৈলঝাড়ায় তিন মাস আটক রেখে কিশোরীকে ধর্ষণ

সহযোগি নারী গ্রেফতার আগৈলঝাড়ায় তিন মাস আটক রেখে কিশোরীকে ধর্ষণ

মোল্লা আজিজুল বরিশাল ব্যুরোঃ বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মা হারা এক কিশোরীকে অপহরণের পর তিন মাস আটকে রেখে ধর্ষণের ঘটনায় সহায়তাকারি এক নারীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ ও ধর্ষিতাকে ডাক্তারী পরীার জন্য শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আগৈলঝাড়া থানা ওসি মোঃ আফজাল হোসেন জানান, উপজেলার রত্নপুর গ্রামের ধর্ষিতা কিশোরীর (১৫) মা মারা যাওয়ার পর ছোট বোন নিয়ে দাদার পরিবারে সে (কিশোরী) আশ্রিত ছিল। বাবা কর্মের সুবাদে ঢাকায় বাস করার সুবাদে দ্বিতীয় বিয়ে করে সেখানেই বসবাস করছেন। সম্প্রতি সময়ে ওই কিশোরীর দাদা-দাদী মারা যাবার পর কিশোরী ও তার ছোট বোনকে একই বাড়ির সাহেদ শেখের স্ত্রী আকলিমা বেগম দেখা শোনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ওসি আরও জানান, আকলিমার নিকট আত্মীয় সহিদ শেখ ওরফে সুমনসহ (৪০) অন্যান্য স্বজনের যাতায়াতের সুবাদে আসামিদের সাথে ওই কিশোরীর পরিচয় ছিলো। সে সুবাদে গত ১৬ মার্চ সন্ধ্যায় সহিদ শেখ মোবাইল ফোনে কিশোরিকে বাড়ির পাশের রাস্তার উপর তার সাথে দেখা করতে বলে। কিশোরী আত্মীয়তার সুবাদে সহিদ শেখের সাথে রাস্তায় দেখা করতে গেলে সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে অবস্থান করা পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর থানার মাটিভাঙ্গা গ্রামের সহিদ শেখ ওরফে সুমন, একই থানার মাহমুদকান্দি গ্রামের সরোয়ার ফরাজীর পুত্র রেজাউল ফরাজী, আকলিমা বেগমসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩জনে জোরকরে কিশোরীকে অপহরণ করে মোটরসাইকেলে করে পিরোজপুর নিয়ে সহিদ শেখ ওরফে সুমনের বাড়িতে কিশোরীকে আটক করে রাখে। ধর্ষিতা কিশোরীর বরাত দিয়ে ওসি জানান, গত ১৭ মার্চ রাতে আটক কিশোরীকে সহিদ শেখ ওরফে সুমন জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর কিশোরীকে প্রায় তিন মাস তার বাড়িতে আটক করে রেখে সুমন অব্যাহতভাবে তাকে (কিশোরী) ধর্ষণ করে আসছিলো। গত ১০ জুন কৌশলে ধর্ষিতা কিশোরী সেখান থেকে পালিয়ে বাড়িতে আসে। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় বৃহস্পতিবার রাতে থানায় উপস্থিত হয়ে কিশোরী ঘটনার বর্ননা করে ধর্ষকসহ তার সহযোগি চারজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১২ তাং ১৮/০৬/২০২০ইং। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তৈয়বুর রহমান জানান, মামলা দায়েরের পর পরই বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে অপহরন ও ধর্ষণে সহায়তাকারী কিশোরীর আশ্রয়দাতা আকলিমা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে বলেও তিনি (এসআই) উল্লেখ করেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536