লোহাগাড়ায় এক মসজিদের নাম ব্যবহার করে অন্য ইমাম শীল দিয়ে ৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ

লোহাগাড়ায় এক মসজিদের নাম ব্যবহার করে অন্য ইমাম শীল দিয়ে ৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ

সিনিয়র স্টাফ করেসপনডেন্ট: লোহাগাড়ায় এক মসজিদের নাম ব্যবহার করে অন্য মসজিদের ইমাম শীল দিয়ে ৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার ৭নং পুটিবিলা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের গৌড়স্হান নয়া পাড়া জামে মসজিদের নাম ব্যবহার করে পাশাপাশি গৌড়স্হান নতুন পাড়া বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সীল দিয়ে ৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, লোহাগাড়া উপজেলার ৭নং পুটিবিলা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের গৌড়স্হান নয়া পাড়া জামে মসজিদ টি প্রায় ১৫০’শত বছর আগের। সে মসজিদের বর্তমান পেশ ইমাম হাফেজ আলী আহমদ তিনি প্রায় ৫০ বছর ধরে চাকরী করে আসতেছে। মসজিদের সামান্য বেতন দিয়ে কোনরকম কষ্ট করে তার সংসার চালায় যাচ্ছে। নায়াপাড়া জামে মসজিদের নাম ব্যবহার করে ইমাম আলী আহমদকে দেওয়া বর্তমান সরকার কর্তৃক ৫ হাজার টাকার প্রনোদনার চেক টা পাশা-পাশি গৌড়স্হান নতুন পাড়া বায়তুল মামুর জামে মসজিদের শীল দিয়ে গত ১০ জুন”২০২০ইং বুধবারে ইমাম আমিনুল ইসলাম উপজেলায় দায়িত্বরত ইসলামিক ফাউন্ডেশন’র মডেল কেয়ার টেকার বদরুল হক চিশতির কাছথেকে ৫ হাজার টাকার প্রনোদনার চেক গ্রহণ করে টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যায়।

গৌড়স্হান নয়া পাড়া জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ আহমদ হোসেনের কাছথেকে জানতে চাইলে তিনি অত্র প্রতিবেদক’কে জানান, সারা দেশে সরকার কর্তৃক ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে যে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিনদের’কে ৫ হাজার টাকা করে প্রনোদনা দিচ্ছে সে টাকা গুলো নিয়ে যারা প্রতারনা করেছে তাদের বিরুদ্ধে আমি স্থানীয় প্রশাসন ও চট্টগ্রাম-১৫ আসন সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার মাননীয় সাংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী এমপি মহোদয় এবং বর্তমান সরকারের নিকট এর সুস্থ বিচারের জোর দাবী জানাচ্ছি। আর যাতে কেউ এই ধরনের মসজিদ নিয়ে প্রতারনা করতে না পারে।

এবিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন লোহাগাড়া উপজেলায় দায়িত্বরত মডেল কেয়ার টেকার বদরুল হক চিশতী বলেন, আমি বায়তুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম আমিনুল ইসলামের সাথে কথা বলছি। তিনি চেক নিয়ে টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা সত্য বলছে, কিন্তুু আমাদের কিছুই করার নেই। জেলা থেকে যে ভাবে করে দিছে আমি ঠিক সে ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। যদি পরেন গৌড়স্থান নায়াপাড়া জামে মসজিদের ইমামকে একটা আবেদন করতে বলেন।

তিনি আরো বলেন,গৌড়স্থান নতুন পাড়া বায়তুল মামুর জামে মসজিদের নাম ঠিক না থাকলেও সভাপতি ও ইমামের নাম ঠিক আছে। কিন্তুু তারপরেও যদি নায়াপাড়া জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি স্বয় না করে তাহলে যে কোন একজন ব্যক্তি সভাপতি করে শীল নতুন করে স্বয় করে দিলে হবে, বাকী টা আমি বুঝবো। আর গৌড়স্থান নায়াপাড়া জামে মসজিদের সভাপতি কিছুই করতে পারবে না।

এদিকে গৌড়স্থান নতুন পাড়া জামে মসজিদের ইমাম আমিনুল ইসলাম বর্তমান সরকার কর্তৃক ৫ হাজার টাকার প্রনোদনার চেক নেওয়ার কথা শিখার করে বলেন, আমাকে উপজেলা থেকে কল করে যেতে বললে আমি সেখানে যায়, তখন আমাকে একটা স্বয় করতে বললে আমি করে দেই। এরপর আমাকে একটা ৫ হাজার টাকার চেক দেন। চেকের মধ্যে কি নাম আছে তা আমি দেখি নাই, আমি শুধু টাকার অংক টা দেখে স্বয় করে চেক নিয়ে টাকা উত্তোলন করে নিয়ে চলে যায় বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ তৌছিফ আহমদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, ঘটনার সুস্থ তদন্ত পূর্বক দোষী ব্যক্তিদের’কে দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536