লোহাগাড়ায় অসহায় পরিবারকে মারধর,জোরপূর্বক গাছ কেটে জায়গা দখলের অভিযোগ

লোহাগাড়ায় অসহায় পরিবারকে মারধর,জোরপূর্বক গাছ কেটে জায়গা দখলের অভিযোগ

ইসমাইল হোসেন সোহাগ,সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: লোহাগাড়ায় এক অসহায় পরিবারকে মারধর করে জোরপূর্বক দেড় লাখ টাকার গাছ কেটে জায়গা দখল করার অভিযোগ

চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের হোছন নগরের বাসিন্দা ভূমিহীন অসহায় দিনমজুর মো: আব্দুর রহমানের পরিবারকে মারধর করে প্রায় দেড় লাখ টাকার গাছ কেটে বসত বাড়ির জায়গা দখল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এদিকে ভুক্তভোগী অসহায় দিনমজুর মো: আব্দুর রহমান অত্র প্রতিবেদক’কে বলেন, আমার পরিবারকে নিয়ে এই জায়গায় প্রায় ৫০ বছর পর্যন্ত বসবাস করে আসতেছি। ইতিমধ্যে সাতকানিয়ার উপজেলার সোনাকানিয়ায় বসবাসরত সন্ত্রাসী মনির আহমদ স্থানীয় মিহির সরকার, মোঃ ইউছুফ, মামুনুর রশিদ চৌধুরী (মেম্বার) মিলে প্রতিনিয়ত আমাকে এবং আমার পরিবারকে আমাদের ভোগ দখলীয় জায়গা থেকে উচ্ছেদ করার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করে যাচ্ছে। তাই আমি স্থানীয় মেম্বার ও চেয়ারম্যানের কাছে একটি অভিযোগ করি।

তারা তাদের বিচার অমান্য করে তারা আমার জায়গা দখল এবং গাছ কাটতে চাইলে আমি পুনরায় লোহাগাড়া থানা একটি অভিযোগ করি। কিন্তু থানায় অভিযোগ থাকলেও অভিযুক্তরা গত ৩১ মার্চ”২০২০ইং ভোরে আরো ১০/১৫ জন সন্ত্রাসী নিয়ে এসে বলে যে, তারা কোন রকম মেম্বার, চেয়ারম্যান ও থানা পুলিশ মানেনা বলে গালিগালাজ করে আমার কষ্টের রোপিত গাছ গুলো কাটার জন্য আসে। তাদেরকে আমি ও আমার পরিবার বাঁধা দিতে গেলে তারা আমাকে ও পরিবারকে গাছের সাথে বেঁধে মারধর করে প্রায় দেড় লাখ টাকার গাছ কেটে জোরপূর্বক জায়গা দখল করে নে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সুনীল সরকারের কাছ থেকে উক্ত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আব্দুর রহমান অত্যন্ত হতদরিদ্র গরীব এবং ভূমিহীন একজন নিরীহ ব্যাক্তি। তাহার দখলীকৃত জায়গা তার ছোট ভাই মনির আহমদ কিছু ভারাটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে তার গাছ গুলো কেটে নিয়ে গেছে বলে আমি শুনেছি। বর্তমান এই বিচারটি লোহাগাড়া থানায় চুনতি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন কে তদন্ত করার জন্য দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে চুনতি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো:আলমগীর হোসেনের কাছথেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উক্ত বিষয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ রয়েছে। তা তদন্ত পূর্বক অপরাধীদের’কে আইনের আওতায় আনা হবে।

এদিকে ভুক্তভোগী অসহায় আব্দুর রহমানের ছেলে মুহাম্মদ ফোরকান ও তার পরিবার অত্র প্রতিবেদককে জানান, আমরা অসহায় হওয়াতে আমরা কারো কাছথেকে কোন রকম সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছি না। তাই আমরা বর্তমান সরকার এবং সাতকানিয়া লোহাগাড়ার মাননীয় সাংসদ সদস্য প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন নদভী এমপি মহোদয় ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে আমাদের একটাই দাবী এই সন্ত্রাসীদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে এলাকার সাধারন নীরহ মানুষদের’কে তাদের হাত থেকে রক্ষা করুন।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536